সান নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে করে বলেন, এ দেশের মানুষ ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে ৫ আগষ্ট সৃষ্টি করেছেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে সৈরাচার হাসিনাকে পতন ঘটিয়েছে। আর দেশের মানুষের আন্দোলনের কাছে পরাজিত হয়ে হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাই জনগনের চাওয়া একটাই সঠিক সময়ে নির্বাচন দেওয়া। যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন ততটুকু সংস্কার করে নির্বাচন দেয়ার আহবান করেন।
৫ এপ্রিল শনিবার ফতুল্লার লালপুরে আগামী ১২ এপ্রিল ফতুল্লা ডিআইটি মাঠে সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে ফতুল্লা থানা বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতি সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশে নতুন করে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা চলছে। এই সরকার দীর্ঘ মেয়াদী থাকার জন্য সেই সৈরাচারের পেতাত্মা হিসেবে এই সরকার উপর ভর করেছে। তাই আমাদের আন্দোলন চলমান রাখতে হবে। জনগনের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেভাবে আন্দোলন করেছি সেই ভাবে আমাদের মাঠে থাকতে হবে। যেই পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা না করবে হয়তো আবারও আন্দোলন করতে হতে পারে। আমাদের আন্দোলনের সব সময় চলবে।
তিনি আরও বলেন, জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের আগামী ১২ তারিখে সমাবেশের মাধ্যমে দেখিয়ে দিতে ফতুল্লা থানা বিএনপি জেলার মধ্যে অন্যতম। তারা আন্দোলন সংগ্রামে যেমন সেরা সভা সমাবেশেও সেরা। তাই আগামী ১২ তারিখ ফতুল্লা ডিআইটি মাঠ যেন কানায় কানায় ভরে যায়।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতি কখনো একা করা সম্ভব নয়। রাজনীতি করতে হয় সবাইকে নিয়ে। কিছু সময় কিছু শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা ভুলে যায়। তারা মনে করেন তাদের বেতনভুক্ত লোক দিয়ে রাজনীতি করাবেন। আপনারা সবাই মনে করবেন যারা বিগত সময়ে এ ধরনের চিন্তা করেছেন তারা অনেকে হারিয়ে গেছে এবং অনেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে। যারা অনেকে এমপি মন্ত্রী হতে আসছেন এবং হতে চান তাদের সাথে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কারণ আপনারা হবেন এমপি মন্ত্রী আর তারা সাধারণ মানুষের কল্যানের জন্য কাজ করবে। মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীরা সামাজিক পর্যাদা পাওয়ার আসায় রাজনীতি করেন। আপনাদের প্রতি যাদের দ্বিমত থাকবে তাদেরকে আপনাদের পক্ষে নিয়ে রাজনীতি করাটাই হলো রাজনৈতিক নেতার কাজ।
প্রস্তুতি সভায় ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহসভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, মাজহারুল ইসলাম মিথুন, জেলা বিএনপির সদস্য একরামুল কবির মামুন, নাদিম হাসান মিঠু, ফতুল্লা থানা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মামুনুর রশীদ, এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন শাহাদুল্লাহ, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম মাদবর, সহসভাপতি তৈয়বুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম হিমেল, বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আকবর আলী সুমন, যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম প্রধান, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাকির হোসেন রবিন, ফতুল্লা থানা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আব্দুল খালেক টিপু, ফতুল্লা থানা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের সভাপতি বাবুল আহমেদ, কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মন্ডল, ফতুল্লা থানা শ্রমিক দলের আহবায়ক শাহ আলম পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা এড: মশিউর রহমান শাহিন, বিএনপি সিরাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম নান্নু, বাবুল সরদার, আমিনুল ইসলাম লিটন, মুসলিম, আহমেদ হোসেন খোকা সহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।